নেমন্তন্ন

ঋক সৌরক

এক্স গার্লফ্রেঠ¨à§à¦¡à§‡à¦° ফোন। কেমন আছো- কি করছো- এখনো কি একা নাকি... এইসব গৌরচন্দ্রঠকার আড়ালে আসল কথাটা হল, " বাড়িতে কেউ নেই, আসবে?"

ইচ্ছে করেই রতন আর কোনও সম্পর্কে জড়ায় নি। প্রতিমার জন্যও যে অপেক্ষা করে বসে আছে, একেবারেই না। কিন্তু আজকের ফোনটা ঠিক সারপ্রাইজ না, কিরম একটা অদ্ভুত রকম ছিল... যাইহোক সম্পর্কটা না টিকলেও কিছু চাহিদা এখনো অব্যাহত আছে, বোঝাই যাচ্ছে... রতন জিজ্ঞেস করলো, "কখন?"

রাত তখন পৌনে দশটা হবে, নেমন্তন্ন সেরে রতন বেরিয়ে এলো। প্রতিমাদেঠজরাগ্রস্ত বাড়িটা যেন আরোও জীর্ণ হয়ে উঠছে দিন দিন। অথচ এই পুরানো পুরানো গন্ধটারই বারবার প্রেমে পড়ে যায় রতন। আজ সেই গন্ধটা অচেতনের হারানো গলি থেকে আচমকাই উঠে এসে স্নায়ুতে আছাড় মারছিলো। নিজের স্বভাবসংগৠ€ হিরো সাইকেল টা নিয়ে আস্তে আস্তে চলতে শুরু করল রতন, মাথার ভেতর এখনো সেই গন্ধটা মৌতাতের মত মিশে আছে। অনেকদিন পর পুরানো বাড়িতে ফিরে এলে যেমন লাগে, আজ প্রতিমাকে আদর করার সময়ও সেরকম লাগছিলো। এত বড় শহরেও যে এত প্রাচীন একটা গলি থাকত পারে, রতন ঠিক আজো বিশ্বাস করতে পারে না। যেন এই শহর বহু দিন আসে না তার কাছে... প্রতিমার সাথে বিছানায় বন্ধুত্বমৠলক à¦•à§à¦°à§€à§œà¦¾à¦¶à§‡à¦·à ‡ রতন তার কপালে চুমু খেতে ভোলেনি। ঠিক যেভাবে প্রতিমা শিখিয়েছিল, রতন অনেক কিছুই ভোলেনি। শুধুমাত্র প্রতিমার সংস্পর্শে এলেই সেগুলো যেন প্রকট হয়ে ওঠে। এভাবেই রতনের ভেতর ভীষণ গভীরে কোথাও প্রতিমা আজো চাপা পড়ে আছে... এসব ভাবতে ভাবতে বড় রাস্তায় প্রায় উঠে এসেছিলো রতন, প্রতিমাদেঠঐতিহ্যবাহৠচারচাকা টি ঠিক সেই ব্রাহ্মমুহ ূর্তেই গলিতে প্রবেশ করছিলো। হেডলাইটের জোরালো আলোয় কেউ দেখে ফেলবে বলে, গলির মধ্যে একটা অন্ধকার জায়গা দেখে একটু খানি থমকে দাঁড়ালো রতন।

কিন্তু যা দেখলো, শিরদাঁড়া বেয়ে একটা ঠাণ্ডা সাপ যেন ক্ষিপ্রগতঠ¿à¦¤à§‡ চলে গেল বলে বোধ হল। রতন দেখল, তারই সামনে দিয়ে ঐতিহ্যবাহৠচারচাকা বেরিয়ে যাচছে, প্রতিমার মা আর বাবা বসে আছে পেছনের সিটে, আর গাড়িতে যিনি ড্রাইভিং করছেন, তিনি আর কেউ নন স্বয়ং প্রতিমা নিজেই...

ঠিক এইসময় ঘাড়ের কাছে কার যেন একটা শ্বাস অনুভব করলো রতন, আর খুব একটা ভুল না হলে তার গন্ধটা সেই পুরনো বাড়িটার মত।

ফেসবুক মন্তব্য